ঢাকা    রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড • মানিকগঞ্জের বেউথায় কালীগঙ্গায় নৌকাবাইচ ঘিরে জনসমুদ্র • দুমকির অপহৃত ১২ বছরের শিশুকে কেরানীগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ • আড়াইহাজারে নবনিযুক্ত সরকারি চাকরিজীবীদের সংবর্ধনা • ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ • কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবলের ফাইনাল • আসিয়াবের ১০ লাখ টাকা নিয়ে উধাও, সাবেক হিসাবরক্ষক হাফিজ কারাগারে • বাল্যবিয়ের ছোবলে কমছে উলিপুরের বালিকা শিক্ষার্থী, সংকটে প্রতিষ্ঠান • অনুমতির ছাড়াই পাহাড় কাটায় নবীগঞ্জে মাটি বিক্রি, বন্ধ করল প্রশাসন • হলতা নদী থেকে নিখোঁজ কিশোর জিহাদের মরদেহ উদ্ধার


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » খুলনা » পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে

পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে


কয়রা ( খুলনা ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ মে ২০২৫


পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে

খুলনা: কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের মানুষ এখনও স্বপ্ন দেখেন একটি পাকা রাস্তার। অথচ সেই স্বপ্নটা ছিল একেবারে স্বাভাবিক নাগরিক অধিকার। কিন্তু পাঁচ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত হওয়া গ্রামের একমাত্র সড়কটি আজও মেরামত হয়নি। স্থানীয়দের জীবন এখনো বাঁশের সাঁকোর ওপর ঝুঁকির দোলনায় দুলছে।

পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দেওয়ানখালি খাল। ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যায় গ্রামের একমাত্র মাটির রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়েই এক সময় শত শত মানুষ স্কুল, বাজার, মন্দিরসহ নানান প্রয়োজনে যাতায়াত করতেন। এখন ওই রাস্তার স্থানে কেবল খাল আর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো।

এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। তখন কোমরে পানি দিয়ে চলতে হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায়ই পড়ে যায় পানিতে। হিন্দু সম্প্রদায়ের দুটি উপাসনালয়—দুর্গা মন্দির ও হরি মন্দির—এই রাস্তার পাশেই। ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা পূজার সময় সাঁকো দিয়ে চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আম্ফানের পরপরই স্থানীয় সরকার থেকে সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা বহুবার উপর মহলে জানিয়েছি, লিখিত আবেদন করেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”

সড়কটি নির্মিত হলে উপকার পাবে পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের হাজারো মানুষ। শুধু স্কুলছাত্র আর পূজারী নয়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস আনতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষক, দিনমজুর ও গৃহিণীদের।

পশ্চিম হাজতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুপ চক্রবর্তী বলেন, “প্রতিদিন শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে আসে। অনেক সময় পা ফসকে পড়ে যায়। এতে পড়াশোনায় অনীহা বাড়ছে। তাছাড়া অভিভাবকরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান।”

স্থানীয়দের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি মিললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তারা মনে করেন, তাদের এলাকার অবহেলা দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

এল/আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৪:৫৭   ২৫৩ বার পঠিত  | ●   ●   ●   ●







খুলনা থেকে আরও...


● ভেড়ামারায় ট্যাপেন্টাডলসহ তিনজন আটক, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড
● ভেড়ামারায় পদ্মার ভাঙনে বিলীন ২৫ হেক্টর কৃষিজমি, শতবিঘা পানের বরজ
● ভেড়ামারায় বাল্যবিবাহ বন্ধ, আয়োজকদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা
● ভেড়ামারায় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
● শাপলা কুঁড়ির মূল পর্বে ভেড়ামারার দুই খুদে নৃত্যশিল্পী



আর্কাইভ