ঢাকা    রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও নাজিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে এমপি সুলতানা জেসমিন জুইয়ের মতবিনিয় ভোলা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান লালমোহনে দেবরের মারধরে ভাবি আহত পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক পীরগঞ্জে এডিপি প্রকল্প হতে ২০৮ জন পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন কল্যাণমুখী রাজনীতি করে যাবো:ফজলুল হক মিলন এমপি সুজানগরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা লালমোহনে কলেজছাত্র হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » খুলনা » পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে

পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে


কয়রা ( খুলনা ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রবিবার, ২৫ মে ২০২৫


পাঁচ বছরেও হয়নি বিলীন সড়ক, স্থানীয়দের জীবন এখন বাঁশের সাঁকোতে

খুলনা: কয়রা উপজেলার উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের মানুষ এখনও স্বপ্ন দেখেন একটি পাকা রাস্তার। অথচ সেই স্বপ্নটা ছিল একেবারে স্বাভাবিক নাগরিক অধিকার। কিন্তু পাঁচ বছর আগে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে বিধ্বস্ত হওয়া গ্রামের একমাত্র সড়কটি আজও মেরামত হয়নি। স্থানীয়দের জীবন এখনো বাঁশের সাঁকোর ওপর ঝুঁকির দোলনায় দুলছে।

পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে দেওয়ানখালি খাল। ২০২০ সালের ২০ মে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে নদীভাঙনে বিলীন হয়ে যায় গ্রামের একমাত্র মাটির রাস্তা। সেই রাস্তা দিয়েই এক সময় শত শত মানুষ স্কুল, বাজার, মন্দিরসহ নানান প্রয়োজনে যাতায়াত করতেন। এখন ওই রাস্তার স্থানে কেবল খাল আর একটি অস্থায়ী বাঁশের সাঁকো।

এলাকাবাসী জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে সাঁকোটি ভেঙে পড়ে। তখন কোমরে পানি দিয়ে চলতে হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা স্কুলে যাওয়ার পথে প্রায়ই পড়ে যায় পানিতে। হিন্দু সম্প্রদায়ের দুটি উপাসনালয়—দুর্গা মন্দির ও হরি মন্দির—এই রাস্তার পাশেই। ধর্মীয় অনুষ্ঠান বা পূজার সময় সাঁকো দিয়ে চলাচল আরও কঠিন হয়ে পড়ে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, “আম্ফানের পরপরই স্থানীয় সরকার থেকে সাময়িকভাবে বাঁশের সাঁকো করে দেওয়া হয়েছিল। আমরা বহুবার উপর মহলে জানিয়েছি, লিখিত আবেদন করেছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান হয়নি।”

সড়কটি নির্মিত হলে উপকার পাবে পশ্চিম হাজতখালী গ্রামের হাজারো মানুষ। শুধু স্কুলছাত্র আর পূজারী নয়, বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস আনতে গিয়ে প্রতিদিনই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষক, দিনমজুর ও গৃহিণীদের।

পশ্চিম হাজতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনুপ চক্রবর্তী বলেন, “প্রতিদিন শিশুরা ঝুঁকি নিয়ে স্কুলে আসে। অনেক সময় পা ফসকে পড়ে যায়। এতে পড়াশোনায় অনীহা বাড়ছে। তাছাড়া অভিভাবকরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পান।”

স্থানীয়দের বক্তব্য, নির্বাচনের সময় প্রতিশ্রুতি মিললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। তারা মনে করেন, তাদের এলাকার অবহেলা দীর্ঘদিনের। এ বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদ বা উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন ভুক্তভোগীরা।

এল/আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৪:৫৭   ২১৩ বার পঠিত  |         







খুলনা থেকে আরও...


সুন্দরবনের জলদস্যু খানজাহান গ্রেপ্তার, অস্ত্র ও ৩৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার
উপকূলে মানবিক ও সামাজিক সেবার প্রত্যয়ে ‘সম্মিলিত সেবা টীম’-এর আত্মপ্রকাশ
ভেড়ামারায় বিপুল পরিমাণ মাদক ও বিশেষ ট্যাংকিসহ ২ কারবারি গ্রেফতার
ভেড়ামারায় পুরাতন ফেরিঘাটে অবৈধ মাটি খননের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড ‎
ভেড়ামারায় বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামালসহ গ্রেফতার ৬



আর্কাইভ