ঢাকা    শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• রেমিট্যান্স বন্ধের হুমকি জনগণের স্বার্থবিরোধী: রিজভী • ভবন সংকটে ঝুঁকিপূর্ণ টিনের ঘরে চলছে সাহরাইল ডাকঘর • লালমোহনে বিশ্ব ডিম দিবসে পুষ্টিগুণ প্রচারে র‍্যালি ও আলোচনা সভা • পায়রা নদীতে মিলল নিখোঁজ জেলে ওমর আলীর মরদেহ • বাউফলে ৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার ৬ সেতুতে চলাচল বন্ধ • ভেড়ামারায় আবু হাজী জহির উদ্দিন স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণী • নদীভাঙনে হুমকিতে হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটের মাছের বাজার, উদ্বেগে হাজারো ব্যবসায়ী • কাউখালীতে খালের ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ৮০০ মিটার সড়ক, বিচ্ছিন্নতার শঙ্কায় ৬ গ্রামের মানুষ • বাউফলে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ • পটুয়াখালীতে বিএনপির দুই সম্পাদকের পদ স্থগিত


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রাজশাহী » রাজশাহীতে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের

রাজশাহীতে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের


রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: রবিবার, ২৪ মে ২০২৬


রাজশাহীতে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসেররাজশাহী: তীব্র দাবদাহে চাহিদা বাড়ছে তালশাঁসের দেশজুড়ে চলছে মধুমাস। জ্যৈষ্ঠ মাসের আগমনে বাজারে উঠতে শুরু করেছে নানা রকম সুস্বাদু ও রসালো মৌসুমি ফল। ইতোমধ্যে রাজশাহীর বাজারগুলোতে আম ও লিচুর সমারোহ দেখা গেলেও তীব্র দাবদাহের কারণে বাড়তি চাহিদা তৈরি হয়েছে গ্রীষ্মকালীন জনপ্রিয় ফল তালশাঁসের। প্রচণ্ড গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে ও তৃষ্ণা মেটাতে রাজশাহীর মানুষ এখন ঝুঁকছেন তালশাঁসের দিকে।

রাজশাহী নগরীর সাহেববাজার, তালাইমাড়ি, বিনোদপুর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার পাশে ভ্যানগাড়িতে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন অসংখ্য বিক্রেতা। শ্রমজীবী মানুষ থেকে শুরু করে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও পথচারীরা গরম থেকে স্বস্তি পেতে তালশাঁস কিনছেন।

জানা গেছে, রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলার গ্রামাঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে এসব তালশাঁস। পরে সেগুলো নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এনে বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। চলমান তীব্র তাপদাহে বিক্রি বেড়েছে কয়েকগুণ বলে জানান তারা।

সরেজমিনে দেখা যায়, রাজশাহী নগরীর বিভিন্ন এলাকায় ভ্যানে করে তালশাঁস বিক্রি করছেন সুমন ।

তিনি বলেন, প্রতি পিস তালশাঁস ৫ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে। একটি তালে সাধারণত তিনটি শাঁস থাকায় পুরো তাল বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকায়।

তিনি আরও বলেন, গরমের সময় তালশাঁসের চাহিদা অনেক বেড়ে যায়। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষই এটা খেতে পছন্দ করেন। প্রতিদিন প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ পিস তালশাঁস বিক্রি করি। এবার গরম বেশি হওয়ায় বিক্রিও বেশি হচ্ছে।

সুমনের মতো আরও অনেক বিক্রেতাকে সাহেব বাজার, তালাইমাড়ি, বিনোদপুর ও বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় তালশাঁস বিক্রি করতে দেখা গেছে। কেউ ভ্যানে, কেউবা রাস্তার পাশে অস্থায়ী দোকান বসিয়ে এই ফল বিক্রি করছেন।

তালাইমাড়ি এলাকায় কাজের ফাঁকে তালশাঁস খেতে দেখা যায় নির্মাণ শ্রমিক শহিদুল ইসলামকে।

তিনি বলেন, সারাদিন রোদের মধ্যে কাজ করতে হয়। গরমে শরীর খুব ক্লান্ত হয়ে যায়। তালশাঁস খেলে শরীর ঠান্ডা লাগে এবং কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যায়।

অন্যদিকে সাহেববাজারে কেনাকাটা করতে এসে তালশাঁস খাচ্ছিলেন রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান।

তিনি বলেন, প্রচণ্ড গরমে তালশাঁস খুবই আরাম দেয়। এটি যেমন সুস্বাদু, তেমনি শরীরের জন্যও উপকারী। তাই গরমে সুযোগ পেলেই খাই।

চিকিৎসকদের মতে, তালশাঁসে প্রচুর পানি ও প্রাকৃতিক খনিজ উপাদান থাকায় এটি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর ভূমিকা রাখে। ফলে তীব্র গরমে মানুষের কাছে তালশাঁস এখন অন্যতম জনপ্রিয় ফল হয়ে উঠেছে।

রাজশাহীতে চলমান দাবদাহ অব্যাহত থাকলে আগামী দিনগুলোতে তালশাঁসের চাহিদা আরও বাড়বে বলে মনে করছেন সকলে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:০১:৫৮   ৯০ বার পঠিত  | ●   ●   ●







রাজশাহী থেকে আরও...


● চাটমোহরে দুর্গাপূজা ঘিরে প্রস্তুতি সভা
● চাটমোহরে আওয়ামী লীগের অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ
● সুজানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের নতুন নেতৃত্বে স্বপন ও জয়ন্ত
● নিখোঁজের পর হলুদের ক্ষেত থেকে ব্যবসায়ীর পোড়া মরদেহ উদ্ধার
● মাস্টার প্ল্যান মেনে ভবন নির্মাণে গুরুত্ব দিলেন বিভাগীয় কমিশনার



আর্কাইভ