ঢাকা রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
![]()
বরগুনা: নিম্মচাপের প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ হওয়ার চার দিন পর এক জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয় জেলেরা। শনিবার সন্ধ্যায় নিহত জেলে কালাম পাইকারের (৫৫) মরদেহ ফকিরহাট মৎস্য অবতরণকেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। তবে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অপর জেলে মো. শহীদ।
জানা যায়, শনিবার সকালে উপকূল থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া একটি ট্রলার ভাসতে দেখেন মাছ শিকার করতে যাওয়া অন্য জেলেরা। পরে তারা ট্রলারটিতে তল্লাশি চালিয়ে কেবিনের ভেতরে একটি মরদেহ দেখতে পান। বিষয়টি তারা ফকিরহাট মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ট্রলার মালিক সমিতিকে জানান। খবর পেয়ে ফকিরহাট মৎস্য অবতরণকেন্দ্র থেকে একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে নিহতের স্বজনরা মরদেহটি কালাম পাইকারের বলে শনাক্ত করেন। তবে অপর জেলে মো. শহীদ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
এর আগে গত ৭ জুলাই বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় দুটি ট্রলার ১৮ জেলে নিয়ে ডুবে যায়। এ সময় অপর একটি ট্রলার ১৬ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে উপকূলে নিয়ে এলেও কালাম পাইকার ও মো. শহীদ নিখোঁজ ছিলেন। শনিবার তাদের মধ্যে কালামের মরদেহ উদ্ধার হলেও এখনও শহীদের কোনো সন্ধান মেলেনি।
ফকিরহাট ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান ফরাজী বলেন, বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ দুই জেলের মধ্যে কালাম পাইকারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে মো. শহীদ নামে অপর জেলে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, “সাগরে ট্রলারডুবির ঘটনায় জেলেরা নিখোঁজ হলে তাদের উদ্ধারে প্রশাসনের তেমন কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায় না।
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে দুটি ট্রলার ডুবে যাওয়ার পর দুই জেলে নিখোঁজ হন। তাদের মধ্যে কালাম পাইকারের মরদেহ ডুবে যাওয়া ট্রলারের কেবিন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৪:১৩ ৩ বার পঠিত | ● আমতলী ● উদ্ধার ● জেলের লাশ ● ট্রলার ● ডুবে ● তালতলী