ঢাকা শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে ফের আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে নেমেছে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। আবাসিক সুবিধা রয়েছে এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়া থেকে সংঘর্ষগুলো ঘটে বলে দুদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ আলাপে জানা গেছে। গতকাল বুধবারও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও নারায়ণগঞ্জের তোলারাম সরকারি কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে।
এর আগে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার রাজধানীর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘর্ষে জড়ায় সংগঠন দুটি। ঢাকার বাইরে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজেও দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায় সংঘর্ষের পর মাদ্রাসার হল বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলে দুপক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়।
জানা যায়, বিএনপি সরকার গঠনের পর ছয় মাস হতে চললেও ক্যাম্পাসের হলগুলোতে এখনও আশানুরূপ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি ছাত্রদল। এখনও নামে-বেনামে সমান শক্তিতে ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে রেখেছে শিবির। বিশেষত হলগুলোতে শিবির বেশ সক্রিয়। এটা নিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে।
অন্যদিকে যেসব ক্যাম্পাসে শিবির শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পেরেছে, সেগুলোতে তারা অন্যদের জায়গা দিতে রাজি নয়। এই নিয়ে প্রায়ই সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। যদিও সরাসরি ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা প্রকাশ্যে নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি স্বীকার করেন না। অন্যদিকে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়া ছাত্রদল নিজেদের অবস্থান তৈরিতে কঠোর অবস্থানে।
গতকাল বুধবার জুলাই সনদের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন, গণহত্যার বিচার এবং বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদলের হামলার প্রতিবাদে রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গণজমায়েত করেছে ছাত্রশিবির। এ সময় শহীদ মিনার ও রাজু ভাস্কর্যে নেতাকর্মীরা মহড়া দেন। পরে রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করেন তারা।
মিছিলে বেশ শক্ত অবস্থানের কথা জানান ছাত্রশিবির কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ছাত্রশিবির এক ধাওয়া দিলে লেজ গুটিয়ে পালিয়ে যান আপনারা। ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের লাগাম না ধরলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব। তখন ক্যাম্পাসে ১০ মিনিটও দাঁড়াতে পারবেন না। বারবার আমরা সহনশীলতার পরিচয় দিচ্ছি। সহনশীলতা মানে দুর্বলতা নয়।
সমাবেশে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক এস এম ফরহাদ বলেন, ছাত্রদলের মনে অনেক কষ্ট, ১৭ বছর না খেয়ে ক্ষমতায় আসার পর গত পাঁচ মাসে ছাত্রশিবিরের কারণে এখনও না খেয়ে আছে। এখন পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঁচবার হল দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, জগন্নাথ হলে ব্যর্থ হয়েছে। আমি একটি ঘোষণা দিতে চাই, বাংলাদেশের কোনো ক্যাম্পাস দখল করতে হলে ছাত্রশিবিরের রক্তের ওপর দিয়ে যেতে হবে।
প্রতিক্রিয়ায় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, ছাত্রশিবির সভাপতির এ ধরনের বক্তব্য শিক্ষাঙ্গনে সহিংসতার প্রকাশ্য উস্কানি। ১০ মিনিট নয়, ১০ বছরও নয়, আপনার মতো আরও ১০-২০ জন সভাপতির মেয়াদ পূর্ণ করেও কিছুই করতে পারবেন না। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস, হুমকি কিংবা উস্কানির মাধ্যমে আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যে কোনো অপচেষ্টা শিক্ষার্থীরাই ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষে আহত ২০
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে গতকাল বুধবার ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। শিবিরের র্যালিতে বহিরাগত থাকার অভিযোগে ছাত্রদল বাধা দিলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ‘অদম্য জুলাই’ নামে সকালে ক্যাম্পাসে র্যালি বের করে ছাত্রশিবির। প্রশাসনিক ভবন চত্বর থেকে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ নম্বর গেটে পৌঁছলে ছাত্রদলের হামলায় র্যালি পণ্ড হয়ে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রদল নেতাকর্মীরা র্যালিতে বহিরাগত আছে দাবি করে তা আটকে দেন। বহিরাগতদের বের করে র্যালি করতে বললে শিবির তাতে অস্বীকৃতি জানায়। কয়েকজন বহিরাগতকে চিহ্নিত করে ছাত্রদল কর্মীরা র্যালি থেকে বের করে দিতে চাইলে দুপক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়। ধাওয়া দিয়ে শিবির কর্মীদের ক্যাম্পাসের বাইরে বের করে দেওয়া হলে তারা ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করেন। ছাত্রদল আবারও ধাওয়া দিয়ে মহাসড়ক দখলে নিয়ে বিক্ষোভ করেন।
ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সস্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বলেন, তাদের মিছিলে কোনো বহিরাগত ছিল না। ছাত্রদল বহিরাগত পুশিং করে পরিকল্পিতভাবে হামলা করেছে। হামলায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবির সভাপতি মনিরুল ইসলাম, আল-আমিন, হাফিজুর রহমান, শাহিনসহ বেশ কয়েকজন আহত হন।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, শিবির ক্যাম্পাস অস্থিতিশীল করার জন্য বহিরাগত দিয়ে মিছিল করতে চেয়েছিল। ছাত্রদল তাদের প্রতিরোধ করে বের করে দিয়েছে। শিবিরের হামলায় ছাত্রদলের ১০ জন আহত হয়েছে।
প্রক্টর মেহেদী হাসান জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্রে সর্বমোট ২০ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এসব নিয়ে পরে কথা বলবেন।
নারায়ণগঞ্জে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির সংঘর্ষ, আহত ৫
নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় সরকারি তোলারাম কলেজে গতকাল ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্য দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সভায় বক্তব্য দেওয়া নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে প্রত্যক্ষদর্শীদর সূত্রে জানা গেছে।
সংঘর্ষ চলাকালে কলেজের সামনের সড়ক দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দেড় ঘণ্টা পর ফতুল্লা থানা ও ডিবি পুলিশের সদস্যরা গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
জানতে চাইলে ইসলামী ছাত্রশিবির নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখার সভাপতি অমিত হাসান বলেন, তোলারাম কলেজের ভেতরে আমাদের নেতাদের মারধর করা হয়েছে। গত কয়েক দিনের রাজনৈতিক উত্তাপ ঘিরে এ ঘটনা ঘটিয়েছে ছাত্রদল। আমরা সেখানে গেলে লাঠিসোটা দিয়ে আমাদের কয়েকজনকে আঘাত করেছে। আমিও মাথায় আঘাত পেয়েছি।
ছাত্রদল তোলারাম কলেজ শাখার সভাপতি মনির হোসেন জিয়া বলেন, তোলারাম কলেজে সভা চলছিল। সেখানে তারা উচ্ছৃঙ্খল বক্তব্য দিচ্ছিল। আমরা বলেছি, এ ক্যাম্পাসে সহাবস্থান ছিল সহাবস্থানে আছে, কোনো উচ্ছৃঙ্খলতা চলবে না। কিন্তু তারা কোনো উস্কানি ছাড়াই আমাদের ওপর হামলা চালায়। ছাত্রদলের পাঁচজনকে তারা মেরে আহত করেছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মো. হাসিনুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি। তদন্ত করে, সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণের পর এ এলাকায় যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল, যারা এ কাজ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে, বেলা দেড়টার পর পুলিশ ছাত্রশিবিরের নেতাদের সরিয়ে দিলে তারা সেখান থেকে মিশনপাড়ায় নিজেদের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন। তবে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা আল্লামা ইকবাল রোড, জামতলা, চাষাঢ়া ও কালিরবাজার এলাকায় মিছিল করেন।
পাবিপ্রবিতে দাওয়াত না দেওয়ায় অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিল ছাত্রদল
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে দাওয়াত না পাওয়ার অভিযোগ তুলে পণ্ড করে দিয়েছে ছাত্রদল।
অনুষ্ঠানটি পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়। পরে ৪ আগস্ট পাবনায় শহীদ মাহবুব হাসান নিলয়ের বাবা আবুল কালাম আজাদ শহীদ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য দেন। এরপর একই দিনে আরেক শহীদ জাহিদুল ইসলামের বাবাকে বক্তব্য দেওয়ার জন্য মঞ্চে আহ্বান করা হলে পরিস্থিতি বদলে যায়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মুজাহিদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে কনভেনশন সেন্টারে প্রবেশ করেন। তারা অনুষ্ঠানস্থলে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। পরে উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষের বক্তব্য ছাড়াই কেবল দোয়া পরিচালনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ করে প্রশাসন।
অনুষ্ঠান আয়োজন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মো. কামরুজ্জামান বলেন, রেজিস্ট্রার দপ্তরের মাধ্যমে প্রতিটি বিভাগে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও কয়েকজন জুলাইযোদ্ধাকে ফোন করে অনুষ্ঠানে এবং হলের নৈশভোজে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
বেরোবিতে তীব্র উত্তেজনা শেষে এক মঞ্চে ছাত্রদল-ছাত্রশিবির
রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের দুদিনের দফায় দফায় সংঘর্ষ, সহিংসতা ও তীব্র উত্তেজনার মধ্যে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচির পর ক্যাম্পাসে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রা, বৃক্ষরোপণসহ নানা কর্মসূচিতে একই সঙ্গে দেখা গেল উপাচার্য, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের।গতকাল বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত কর্মসূচিতে উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
এর আগে গত সোমবার গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তিতে ছাত্রশিবির ‘জুলুমের বিরুদ্ধে জুলাই’ কর্মসূচিতে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে দণ্ডিত নেতাদের ছবি প্রদর্শনী কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
পরে একই স্থানে পৃথক বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেয় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। এতে নতুন করে সংঘর্ষের আশঙ্কা তৈরি হলে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক অবস্থান নেয়। বেরোবি প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাজহাট থানা পুলিশের কাছে ১৪৪ ধারা জারির আবেদনও করা হয়েছিল।
এমন পরিস্থিতির মধ্যেই জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের কর্মসূচিতে গতকাল দুই ছাত্রসংগঠনের নেতাকর্মীদের একই মঞ্চে দেখা যাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।
উপাচার্য ড. মো. শওকাত আলী বলেন, ছাত্র-জনতা যেভাবে চব্বিশের জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থান করেছিল, এর ফলে আজকে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে। আমরা আশা করি, আর যেন কোনো স্বৈরাচার কিংবা আওয়ামী লীগ না আসতে পারে। সেজন্য তারুণ্যের অহংকার তরুণরা যেভাবে একত্রে কাজ করেছে, এখনও তাদের মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ, সেটা আজ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় দেখিয়ে দিয়েছে।
(ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর)
বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৮:২৪ ৩ বার পঠিত | ● ছাত্রদল ● শিবির