ঢাকা রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক এলডিপির প্রেসিডেন্ট। রোববার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের বৈঠকে অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। পরে তা ব্রিফিংয়ে জানান জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।
বৈঠক শেষেসংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহচর কর্নেল অলি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশে নেন তিনি। রাষ্ট্রপতি জিয়ার সরকারে মন্ত্রীও ছিলেন কর্নেল অলি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রী ছিলেন তিনি।
২০০১ সালে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জিতলেও সে নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর কাছে হেরে যান তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের জোট হলেও উভয় দলের জন্য চট্টগ্রাম-১৪ উন্মুক্ত ছিল। ২০০১ সালে কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।
২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে এলডিপি গঠন করেন কর্নেল অলি। তাঁর সঙ্গে সেই সময়ে বিএনপির ৩২ জন এমপি দল ছাড়েন। যা ছিল বিএনপির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভাঙন। ২০০৮ সালে এককভাবে নির্বাচন করে জয়ী হন কর্নেল অলি। ২০১২ সালে তিনি খালেদা জিয়ার ডাকে বিএনপির জোটে যোগ দেন। আসন নিয়ে টানাপোড়েনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াত জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির এলডিপি।
বাংলাদেশ সময়: ২০:৪০:০৪ ২ বার পঠিত | ● কর্নেল অলি