ঢাকা    রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
• লালমোহনে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন • আলফাডাঙ্গায় সমবায় দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ • লালমোহনে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন • সমবায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে: রিজভী • মানিকছড়িতে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, আহত ৫ নেতাকর্মী • নলছিটিতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন স্বজনেরা • চরফ্যাসনে সারের কৃত্রিম সংকট, পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে • সুজানগরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত • কাউখালীতে নবনিযুক্ত সহকারী শিক্ষকদের সংবর্ধনা, মানসম্মত শিক্ষার আহ্বান • ডিমলায় নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস উদ্‌যাপন


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » প্রধান সংবাদ » রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬


রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ১১ দলের প্রার্থী কর্নেল অলি

জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের নাম ঘোষণা করেছে। তিনি ১১ দলীয় ঐক্যের শরিক এলডিপির প্রেসিডেন্ট। রোববার মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার বাসভবনে ১১ দলের বৈঠকে অলির নাম চূড়ান্ত করা হয়। পরে তা ব্রিফিংয়ে জানান জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

বৈঠক শেষেসংবাদ সম্মেলনে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোত্তম ব্যক্তিকে আমরা প্রেসিডেন্ট পদে মনোনয়ন দিয়েছি। তার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জোটের শরিক এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ১১ দলের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্নেল অলি আহমদকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। এ বিষয়ে সব দলের পক্ষ থেকে সম্মতি দেওয়া হয়েছে।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সহচর কর্নেল অলি বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ছিলেন। জিয়াউর রহমানের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশে নেন তিনি। রাষ্ট্রপতি জিয়ার সরকারে মন্ত্রীও ছিলেন কর্নেল অলি। খালেদা জিয়ার প্রথম সরকারেও মন্ত্রী ছিলেন তিনি।

২০০১ সালে তিনি চট্টগ্রাম-১৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। চট্টগ্রাম-১৩ আসনে জিতলেও সে নির্বাচনে তৎকালীন চট্টগ্রাম-১৪ আসনে জামায়াতের শাহজাহান চৌধুরীর কাছে হেরে যান তিনি। ওই নির্বাচনে সারাদেশে বিএনপি-জামায়াতের জোট হলেও উভয় দলের জন্য চট্টগ্রাম-১৪ উন্মুক্ত ছিল। ২০০১ সালে কর্নেল অলি খালেদা জিয়ার সরকারের মন্ত্রিসভায় স্থান পাননি।

২০০৬ সালে বিএনপি ছেড়ে এলডিপি গঠন করেন কর্নেল অলি। তাঁর সঙ্গে সেই সময়ে বিএনপির ৩২ জন এমপি দল ছাড়েন। যা ছিল বিএনপির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ভাঙন। ২০০৮ সালে এককভাবে নির্বাচন করে জয়ী হন কর্নেল অলি। ২০১২ সালে তিনি খালেদা জিয়ার ডাকে বিএনপির জোটে যোগ দেন। আসন নিয়ে টানাপোড়েনে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে জামায়াত জোটে যোগ দেয় কর্নেল অলির এলডিপি।

বাংলাদেশ সময়: ২০:৪০:০৪   ১৬৬ বার পঠিত  | ●







প্রধান সংবাদ থেকে আরও...


● জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধ, এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন
● মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
● পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
● বিরোধীদের দমনে স্বৈরাচারী কৌশল চলবে না, সরকারকে সতর্ক করলেন জামায়াত আমির
● বিরোধীদের দমনের চেষ্টা করলে পরিণতি ভালো হবে না: জামায়াত আমির



আর্কাইভ