ঢাকা রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যে ৫০টি শয্যা রয়েছে, তার ৩০টি শয্যা করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। ২০টি করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। অল্প সময়ের মধ্যে এই হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।
রোববার দুপুর ২টার দিকে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ এবং গৃহহীনদের জন্য নির্মিত ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়।
তারেক রহমান বলেন, জনগণের জীবনমান উন্নয়নে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিক যাতে প্রয়োজনীয় সুবিধা পান, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, দেশে বিনিয়োগ বাড়াতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের পাশাপাশি বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও যেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হন, সে জন্য আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা জরুরি। কেউ যাতে শান্তি-শৃঙ্খলা নষ্ট করার সুযোগ না পায়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। ‘বিভ্রান্তকারীরা যাতে কোনো সুযোগ না পায়, সে জন্য আমাদের সাবধান থাকতে হবে’ বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলে তারেক রহমান বলেন, বিগত সরকার বিদ্যুৎ খাতকে গুটিকয়েক মানুষের হাতে তুলে দিয়েছিল। আগামী ১০ বছরের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত নিয়ে কীভাবে পরিকল্পনা করা যায়, তা সংসদে তুলে ধরা হবে। তিনি বলেন, ‘কিছুদিন ধরে বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে কিছু মানুষ জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।
দেশে কৃষি ও শিল্পে বিপ্লব ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ফসল বিপ্লব ঘটাতে হবে, শিল্প বিপ্লব ঘটাতে হবে। দেশের মানুষ আর বিভ্রান্ত হবে না। এখন দেশ গড়ার সময়।’
জনগণের সহযোগিতা পেলে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন সহজ হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের জীবনমান উন্নত করা সম্ভব। ‘অতি অল্প সময়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হবে।’ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য চলাকালে উপস্থিত লোকজন বাঁশখালীর উপকূলীয় এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে স্লোগান দেন। এ সময় তারেক রহমান বলেন, ‘অতি অল্প সময়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হবে।’ উপকূলীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে বলেও তিনি জানান।
নির্বাচনের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের ৪১ লাখ পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। বাঁশখালী উপজেলায় আগামী অর্থবছরে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। লবণচাষি ভাইদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে কিছুদিনের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বাংলাদেশ সময়: ২০:৩৮:০৬ ২ বার পঠিত | ● প্রধানমন্ত্রী