ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » খুলনা » কয়রায় মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

কয়রায় মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে


তারিক লিটু,কয়রা ( খুলনা )
প্রকাশ: শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫


কয়রায় মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

খুলনা: কয়রা উপজেলায় দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে। উত্তর বেদকাশী ইউনিয়নের হাজতখালী আবু বকর সিদ্দিক জামে মসজিদ ও কাটমারপাড়া উত্তরপাড়া পাঞ্জাখানার জন্য সরকারি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অভিযোগ রয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ১ লাখ ৫ হাজার টাকা সংশ্লিষ্ট মসজিদ কমিটিতে দেওয়া হলেও বাকি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম করেছেন ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।

বেদকাশী ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সমাজকর্মী হাফিজুল ইসলাম বলেন, “তিনি যত সরকারি প্রকল্প নিয়েছেন, সবগুলোতেই দুর্নীতি ও অনিয়ম করেছেন। আমরা তিন মাস আগে ইউএনও অফিসে অভিযোগ দিয়েছি, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এবার দুটি মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। আমি পিআইও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে এ তথ্যের সত্যতা পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “গ্রামীণ মানুষ ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নিয়ে খুবই সংবেদনশীল। মসজিদের প্রকল্পের টাকা লোপাট মানে শুধু দুর্নীতি নয়, এটা মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত।”

ইউপি সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কয়রা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মামুনার রশিদ বলেন, “বিষয়টি জানার পর আমি বাকি টাকা ফেরত দিতে বলেছি। ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। দুর্নীতির সত্যতা পাওয়া গেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

কয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল বাকী বলেন, “আমি অল্প কিছুদিন হলো এখানে যোগদান করেছি। অভিযোগের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে গ্রামীণ অবকাঠামো যেমন সঠিকভাবে নির্মাণ হচ্ছে না, তেমনি শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন কার্যক্রমও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। স্থানীয়রা আশা করছেন, প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৩:৪২:৫৭   ১৩০ বার পঠিত  |         







খুলনা থেকে আরও...


ভেড়ামারায় অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর
সুন্দরবনে নদীতে পড়ে যাওয়া জাহাজের ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করল কোস্ট গার্ড
ভেড়ামারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু, রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের আহ্বান
জুয়ার ফাঁদে তরুণরা, কয়রায় এজেন্ট সক্রিয়
ভেড়ামারায় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ভাই গ্রেফতার ‎



আর্কাইভ