ঢাকা    রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম
সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও নাজিরপুরে সাংবাদিকদের সাথে এমপি সুলতানা জেসমিন জুইয়ের মতবিনিয় ভোলা জেলা পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন সুজানগর হাসপাতালে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান লালমোহনে দেবরের মারধরে ভাবি আহত পটুয়াখালীতে ঘুমন্ত বৃদ্ধাকে শিল-পাটার আঘাতে হত্যা, ছেলে আটক পীরগঞ্জে এডিপি প্রকল্প হতে ২০৮ জন পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরন কল্যাণমুখী রাজনীতি করে যাবো:ফজলুল হক মিলন এমপি সুজানগরে বৃত্তিপ্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা লালমোহনে কলেজছাত্র হত্যাকারীর ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন-বিক্ষোভ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ঢাকা » সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও

সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও


সাইফুল ইসলাম,সালথা ( ফরিদপুর )
প্রকাশ: শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬


 সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও
ফরিদপুর: পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ উপজেলা সালথার চাষিদের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দবির উদ্দিন।

প্রতিবেদনে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, ন্যায্যমূল্য না পাওয়া, সংরক্ষণ- সংকটসহ বিভিন্ন সমস্যার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। একই সঙ্গে এসব সমস্যা সমাধানে
কয়েকটি সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনের সঙ্গে পেঁয়াজ উৎপাদনে বীজ, সার, সেচ, শ্রমিকের মজুরি, জমির লিজ ও অন্যান্য খরচের বিস্তারিত হিসাব পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি উন্নতমানের বীজ সরবরাহ, পর্যাপ্ত সার বরাদ্দ, আধুনিক সংরক্ষণাগার ও কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ, কৃষক প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় কৃষিযন্ত্র সরবরাহের সুপারিশ করা হয়েছে।

সালথা উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ১৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর আবাদি জমির মধ্যে প্রায় ১২ হাজার ৫৮৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ করা হয়েছে। উর্বর মাটি ও অনুকূল পরিবেশের কারণে দীর্ঘদিন ধরে সালথা ফরিদপুর জেলার পেঁয়াজ উৎপাদনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।

তবে চলতি মৌসুমে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবং বাজারে কাঙ্ক্ষিত মূল্য না পাওয়ায় অনেক চাষি লোকসানের মুখে পড়েছেন।
কৃষকদের হিসাবে, প্রতি কেজি পেঁয়াজ উৎপাদনে খরচ হচ্ছে প্রায় ২৫ টাকা ১৫ পয়সা। অথচ বাজারে বিক্রি করতে হচ্ছে ২২ টাকা ৫০ পয়সা দরে। এতে প্রতি কেজিতে প্রায় ২ টাকা ৬৫ পয়সা লোকসান হচ্ছে।

চাষিদের অভিযোগ, উন্নতমানের বীজের সংকট, প্রয়োজনের তুলনায় সারের স্বল্পতা, কৃষি প্রশিক্ষণের অভাব এবং সময়মতো কীটনাশক প্রয়োগের জন্য
পর্যাপ্ত স্প্রে মেশিন না থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া সালথা উপজেলায় পর্যাপ্ত কোল্ডস্টোরেজ ও আধুনিক সংরক্ষণাগারের অভাবে অনেক কৃষক মৌসুমেই কম দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হন। ফলে প্রতিবছরই তারা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

কৃষকদের দাবি, উন্নতমানের বীজ সহজলভ্য করা, পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, আধুনিক সংরক্ষণাগার ও কোল্ডস্টোরেজ নির্মাণ, সহজ শর্তে কৃষিঋণ প্রদান, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃষিযন্ত্র সরবরাহ করা হলে উৎপাদন বাড়ার পাশাপাশি ন্যায্য লাভ নিশ্চিত হবে।

শনিবার (৪ জুলাই) ইউএনও দবির উদ্দিন বলেন, সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যাগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি
আকর্ষণ করা হয়েছে। উৎপাদন ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাবসহ প্রয়োজনীয় সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হলে চাষিরা উপকৃত হবেন এবং পেঁয়াজ উৎপাদন আরও বাড়বে।

তিনি আরো বলেন, সালথার মতো সম্ভাবনাময় এলাকায় পেঁয়াজ চাষের বিদ্যমান সমস্যাগুলোর দ্রুত সমাধান করা গেলে দেশের পেঁয়াজ উৎপাদন আরও বাড়বে। একই সঙ্গে কমবে আমদানিনির্ভরতা এবং কৃষকদের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হবে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৩:১৪   ৫ বার পঠিত  |      







ঢাকা থেকে আরও...


সালথার পেঁয়াজ চাষিদের সমস্যা তুলে ধরে প্রতিবেদন পাঠালেন ইউএনও
কল্যাণমুখী রাজনীতি করে যাবো:ফজলুল হক মিলন এমপি
মধুখালীতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা
দোহারকে অপরাধমুক্ত ও নিরাপদ অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করে যাচ্ছেন:ওসি আবু বক্কর সিদ্দিক
ভূঞাপুরে মাদকসেবির কারাদণ্ড



আর্কাইভ