ঢাকা    শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
• এডিশনাল পিপি হযরত আলী হিরনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু • চরফ্যাশনে সরকারি মামলা পরিচালনায় দায়িত্ব পেলেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক • খাল খননে ধসে পড়ছে চরফ্যাশনের পাকা সড়ক, দুর্ঘটনার শঙ্কা • অস্ট্রেলিয়ার দুই উৎসবে নির্বাচিত ‘কিং ইন দ্য ল্যান্ড অব প্রিন্সেস’ • যুব এশিয়া কাপে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও মালয়েশিয়া • জয়ার নীল আবেশের ছবি মুগ্ধ করেছে নেটিজেনদের • শিশুদের সৃজনশীল বিকাশের পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ইকোনমিতে জোর সরকারের: অর্থমন্ত্রী • গঙ্গা পানি চুক্তিতে বাংলাদেশের ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিতের দাবি নাহিদের • ইলিশ রক্ষায় ২২ দিন ধৈর্য ধরার আহ্বান মাসুদ পারভেজের • কুরআনের শিক্ষাই মানুষকে বিশ্ববাসীর কাছে সম্মানিত করে: মাসুদ সাঈদী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পান জামাল

পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পান জামাল


জাহিদ দুলাল, লালমোহন ( ভোলা )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬


পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পান জামালভোলা: লালমোহন উপজেলায় মুরগির খামারে প্রবেশ করায় পাখি মারার অভিযোগ উঠেছে মো. জামাল হাওলাদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ যেন পাখি মেরে পৈশাচিক আনন্দের বহিঃপ্রকাশ। এই পাখি মারার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। হত্যার শিকার পাখির মধ্যে অধিকাংশই দেশীয় প্রজাতির শালিক ও দোয়েল।

স্থানীয় বাবুল চৌকিদার নামে এক ব্যক্তি জানান, চৌমুহনি বাজারের পাশে পূর্বরমাগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পেছনে জামাল হাওলাদারের মুরগির খামার রয়েছে। ওই খামারে পাখি ঢুকে বয়লার খাওয়ার কারণে পাখিগুলোকে মেরে ফেলেন জামাল হাওলাদার।

চৌমুহনী বাজারের ব্যবসায়ী মো. মাকসুদ বলেন, বয়লার খাবার খেতে আসা পাখিগুলোকে মেরে ঝুলিয়ে রাখেন জামাল হাওলাদার। পরে পাখিগুলো পুকুরে ফেলে দেন তিনি। ঘটনাটি জানার পর গিয়ে দেখি প্রায় ১৬ থেকে ১৭টি পাখি মারা গেছে। আর জীবিত আটকিয়ে রাখা হয়েছে ২০ থেকে ২৫টি পাখি। আমরা জীবিত পাখিগুলোকে ছেড়ে দিয়েছি।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় আরও কয়েকজন জানান, জামাল হাওলাদার প্রতিদিন মুরগীর খামারে এসে খামারের জাল উঠিয়ে দেন। জাল ওঠানোর পর পাখিগুলো বয়লার খেতে খামারে প্রবেশ করলে তিনি জাল নামিয়ে দেন। এরপর তিনি পাখিগুলোকে পিটিয়ে মেরে পৈশাচিক আনন্দ উপভোগ করেন। মরা পাখিগুলোকে কখনো মাটিতে পুতে ফেলেন এবং কখনো কচুরিওয়ালা পকুরে ফেলে দেন। পাখির প্রতি এমন নির্মিম আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়। পাখির প্রতি নিষ্ঠুর আচরণের জন্য পরিবশে ও বন্য আইনে খামার মালিক জামাল হাওলাদারের শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে এ ব্যাপারে জানতে খামার মালিক মো. জামাল হাওলাদারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করলেও তিনি কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য জানা যায়নি।

এ বিষয়ে ভোলা উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলাল বলেন, বন্য পাখি মারার সুযোগ নেই। এ ব্যাপারে আমাদের লালমোহনের প্রতিনিধিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলবো।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:৪৮:৫৪   ১০৮ বার পঠিত  | ●   ●   ●







বরিশাল থেকে আরও...


● এডিশনাল পিপি হযরত আলী হিরনের বিরুদ্ধে অভিযোগের তদন্ত শুরু
● চরফ্যাশনে সরকারি মামলা পরিচালনায় দায়িত্ব পেলেন অ্যাডভোকেট ছিদ্দিক
● খাল খননে ধসে পড়ছে চরফ্যাশনের পাকা সড়ক, দুর্ঘটনার শঙ্কা
● কুরআনের শিক্ষাই মানুষকে বিশ্ববাসীর কাছে সম্মানিত করে: মাসুদ সাঈদী
● পশ্চিম নওমালা নেছারিয়া ফাজিল মাদ্রাসায় নতুন কমিটির পরিচিতি সভা



আর্কাইভ