ঢাকা    রবিবার, ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
• এক ভোটের ব্যবধানে সভাপতি নির্বাচিত ইলিয়াস ও সম্পাদক সুলতান • ফাইনালে ৫ উইকেটের জয়ে কালীগঞ্জে বিপিএল চ্যাম্পিয়ন এ্যাটাক টাইটান • কাঁঠালিয়ায় জাতীয় যুব দিবসে যুবকদের মধ্যে ঋণের চেক ও গাছের চারা বিতরণ • কাঁঠালিয়ায় ব্যবসায়ীর ফলবাগানের তিন শতাধিক গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ • দুই বছরেও চালু হয়নি বাউফল লাইব্রেরি, নষ্ট হচ্ছে বই-আসবাব • সুজানগরে জাতীয় যুব দিবসে ৮ জন পেলেন ৬ লাখ ২০ হাজার টাকার ঋণ • সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদারে রংপুর সাংবাদিক ইউনিয়নের সভায় নানা সিদ্ধান্ত • কাউখালীতে সুপারি পাড়তে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সাবেক ইউপি সদস্যের মৃত্যু • ভেড়ামারায় জাতীয় যুব দিবসে প্রশিক্ষিত তরুণদের সনদ ও ঋণের চেক বিতরণ • ৭৫ বছরেও থামেনি বারেকের জীবনসংগ্রাম, শাপলা বিক্রিতে চলে সাতজনের সংসার


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » ঢাকা » সিংগাইরের কামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ

সিংগাইরের কামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ


মু.মিজানুর রহমান বাদল,( মানিকগঞ্জ )
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সিংগাইরের কামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হাজিরা খাতায় জাল স্বাক্ষরের অভিযোগ

মানিকগঞ্জ: সিংগাইর উপজেলার ৫৫ নম্বর কামুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মনিরা বেগমের বিরুদ্ধে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর জাল ও সীমাহীন স্বেচ্ছাচারিতার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় ও বিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার গত মাসের ১৬ তারিখ বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি অনুপস্থিত থাকলেও হাজিরা খাতায় প্রধান শিক্ষিকা মনিরা বেগম নিজে স্বাক্ষর দিয়ে তাঁকে উপস্থিত দেখান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে হাজিরা খাতায় এ ধরনের অসঙ্গতি পাওয়া গেলে বিদ্যালয়জুড়ে তোলপাড় শুরু হয় এবং এলাকার মানুষের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে, প্রধান শিক্ষিকা মনিরা বেগম দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে একচ্ছত্র দাপট ও স্বেচ্ছাচারিতা চালিয়ে আসছেন। তিনি সহকারী শিক্ষকদের মতামত উপেক্ষা করেন এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকেও তোয়াক্কা করেন না। ফলে বিদ্যালয়ের প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ও শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এদিকে, এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে, জাল স্বাক্ষর ও অনিয়মের ঘটনাটি ফাঁস হওয়ার পর পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে প্রধান শিক্ষিকা মনিরা বেগম প্রথমে কৌশল হিসেবে তিন দিনের ছুটি নেন। পরবর্তীতে ঘটনা সামাল দিতে ও দায় এড়াতে তিনি এক মাসের দীর্ঘ ছুটিতে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ অভিভাবক ও স্থানীয়রা অবিলম্বে মনিরা বেগমের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে সহকারী শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার কোনো মন্তব্য না করে অফিসের কাজের ব্যস্ততা দেখিয়ে লাইন কেটে দেন।

প্রধান শিক্ষিকা মনিরা বেগম এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, “এগুলো নিয়ে স্কুলে অনেক কিছু হয়ে গেছে। আপনি স্কুলে আসেন, সাক্ষাতে কথা বলব।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুলতানা আছমা খান জানান, “বিষয়টি সম্পর্কে আমি অবগত নই। তবে সে অপরাধ করেছে। আমি ভালোভাবে জেনে জানাচ্ছি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫১:৫৩   ৯২ বার পঠিত  | ●   ●   ●







ঢাকা থেকে আরও...


● চীনা যুবককে বিয়ে করে আলোচনায় ফরিদপুরের কলেজছাত্রী
● কালীগঞ্জে দারুন নাজাত মদিনাতুল হক ইনস্টিটিউটে শিক্ষা উৎসব ও বিজ্ঞান মেলা
● চাঁদাবাজ-দখলবাজদের যুবদলে স্থান হবে না: জাহাঙ্গীর হোসেন
● দোহারের পদ্মার পাড় দখলের হিড়িক
● ভূঞাপুর থানা ভবনের পলেস্তরা খসে পড়ছে বাড়ছে ঝুঁকি



আর্কাইভ