ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
কুমিল্লা: চৌদ্দগ্রামে পূর্ববিরোধের জেরে জামায়াত কর্মী কাজী ইউসুফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করেছে।
নিহত ইউসুফ কনকাপৈত গ্রামের মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ছিলেন। ইসলামী সংগীতের শিল্পী হিসেবেও তাঁর পরিচিতি ছিল।
চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার (২৪ অক্টোবর) কনকাপৈত স্কুল মাঠে ট্রাক্টর থেকে বালু ওঠানো-নামানোকে কেন্দ্র করে ইউসুফের সঙ্গে আমজাদের বাজারের ফারিহা এন্টারপ্রাইজের মালিক আবুল কালাম আজাদের প্রতিষ্ঠানের এক ট্রাক্টরচালকের কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় আবুল কালাম আজাদ ইউসুফকে আমজাদের বাজার এলাকায় যেতে নিষেধ করে হুমকি দেন।
সোমবার সকালে ইউসুফ ওই বাজারে গেলে আবুল কালাম আজাদের লোকজন তাঁর ওপর হামলা চালান। এলোপাতাড়ি মারধরে তিনি গুরুতর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উপস্থিত কয়েকজন তাঁকে রক্ষার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। পরে স্বজনরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রশিদ আহমেদ চৌধুরী বলেন, ইউসুফ হোসেনকে জরুরি বিভাগে আনার পর তাঁর অবস্থা সংকটাপন্ন থাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লায় পাঠানো হয়। তবে কুমিল্লায় নেওয়ার পথেই তিনি মারা যান।
ঘটনার পর থেকে আবুল কালাম আজাদ ও তাঁর লোকজন আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ বেলাল হোসাইন বলেন, ইউসুফ তাঁদের দলের কর্মী ছিলেন। প্রকাশ্যে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
ওসি মোহাম্মদ আরিফ হোসাইন বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। সেখানে মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়াও চলমান রয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ২২:২৩:৪৩ ৭ বার পঠিত | ● কাজী ইউসুফ হোসেন হত্যা ● কুমিল্লা জামায়াত কর্মী ● চৌদ্দগ্রাম