ঢাকা সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
শিরোনাম
![]()
টাঙ্গাইল: ভূঞাপুরে জাল শিক্ষাসনদ ব্যবহার ৩ শিক্ষকের করে চাকরি নেয়ার অভিযোগে ওঠেছে। তদন্ত কমিটির প্রকাশিত তালিকায় টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার তিন শিক্ষকের নাম উঠে এসেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট তদন্ত সংস্থার যাচাইয়ে তাদের বিরুদ্ধে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার নিকরাইল শমসের ফকির ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোনায়েম সরকার, গাবসারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়া এবং ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক আব্দুল কাদের।
জানা যায়, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত শিক্ষকদের সনদ যাচাই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ পরীক্ষা করা হয়। যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট তিন শিক্ষকের সনদে অসঙ্গতি ও জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে আসে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাল সনদধারী শিক্ষক নিয়োগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে। অনেকেই দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে গাবসারা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা সুলতানা রাজিয়াকে মুঠোফোনে কল করলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়েই ফোন কেটে দেন।
শমসের ফকির ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোঃ মোনায়েম সরকারের মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল কাদেরকেও ফোনে পাওয়া যায়নি।
ভারই দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, জালসনদ হলে অবশ্যই ব্যবস্থা করা হবে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৩৯:২২ ১৭ বার পঠিত | ● চাকুরী ● জাল সনদ ● ভূঞাপুর
----