ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » গলাচিপায় ৭ বছরেও চলেনি দুই নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

গলাচিপায় ৭ বছরেও চলেনি দুই নৌ-অ্যাম্বুলেন্স


আঃ মজিদ খান, (পটুয়াখালী )
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫


গলাচিপায় ৭ বছরেও চলেনি দুই নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

পটুয়াখালী: নদীবেষ্টিত গলাচিপা উপজেলার চরবিশ্বাস, চরকাজল ও চরকারফারমা ইউনিয়নের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সড়কপথে যোগাযোগের অভাবে জরুরি চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত। ওই এলাকার মানুষদের উপজেলা হাসপাতালে পৌঁছাতে নদী পার হতে সময় লাগে দুই-তিন ঘণ্টা, কিন্তু বিকেলের পর ট্রলারের ব্যবস্থা নেই।
স্থানীয়দের দাবি, এই সমস্যার সমাধানের জন্য সরকার দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দিয়েছে, কিন্তু সাত বছরেও তা ব্যবহার হয়নি।স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, সরকারের ব্যয় করা কোটি টাকার এই নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দুটি ঝুঁকির মধ্যে পড়ে থাকবে, আর জরুরি মুহূর্তে চরাঞ্চলের মানুষদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হওয়া থাকবে শুধু স্বপ্নে।
জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে উপজেলা হেলথ কেয়ার (ইউএইচসি) প্রকল্পের মাধ্যমে ৩২ লাখ টাকায় একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ ১৫ লাখ টাকায় আরেকটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স প্রদান করে। কিন্তু চরাঞ্চলের মানুষ এই সুবিধার কথা জানে না। বর্তমানে দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সই ঘাটে পড়ে আছে; এতে মেশিন ও মূল্যবান যন্ত্রাংশ অকেজো হয়ে গেছে।
নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের চালক টিটোন কবিরাজ জানান, তিনি একদিনের জন্যও অ্যাম্বুলেন্স চালাননি, কারণ মেশিনে সমস্যা ছিল।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপজেলা ডেভেলপমেন্ট ফ্যাসিলিটেটর স্বপন কুমার গনপতি জানান, এই প্রকল্পটি উপজেলা পরিষদের সিদ্ধান্তে বাস্তবায়িত হয়েছে এবং ফান্ড স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এসেছে।
উপজেলা হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গাবালী উপজেলা ও গলাচিপার চরকাজল-চরবিশ্বাস ইউনিয়ন থেকে প্রতি মাসে হাজারো রোগী গলাচিপা হাসপাতালে আসেন। নৌ-অ্যাম্বুলেন্স প্রদানের পর চালক থাকা সত্ত্বেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলা এবং তথ্যের অভাবে চরাঞ্চলের মানুষরা এই সুবিধা ভোগ করতে পারেননি।
গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মেজবাহ উদ্দিন বলেন, নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের চালকের চাকরি ২০২৪ সালের জুলাইয়ে শেষ হয়েছে। আমাদের কাছে দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স থাকার তথ্য নেই। একটির কথা আমার জানা নেই।
পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. খালেদুজ্জামান জানান, আমি এখানে নতুন, বিষয়টি বিস্তারিত খুঁজে দেখছি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:৩২:৫৭   ১৫৭ বার পঠিত  |   







বরিশাল থেকে আরও...


চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ
পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা
কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক
পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত



আর্কাইভ