ঢাকা    শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
• রয়্যাল এনফিল্ডের সঙ্গে অপু বিশ্বাসের নতুন লুক, ভক্তদের প্রশংসার ঝড় • শান্তিবাগে ছোট ভাইয়ের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বড় ভাইয়ের • সোনারগাঁও হোটেলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই • রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই • জামায়াতের সঙ্গে জোটের বিরোধ, এনসিপি ছাড়লেন সামান্তা শারমিন • গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে হাঁড়ি-পাতিল নিয়ে জামায়াতের নারী কর্মীদের মিছিল • চরফ্যাসনে অবৈধ ট্রল বোট জব্দ, ১৪ জেলে আটক • চরফ্যাসনে ৬৬ লাখ টাকার সার জব্দ, আটক ৮ • উলিপুরে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে দুই যুবকের বিরুদ্ধে মামলা • ভেড়ামারায় নো-পার্কিংয়ে ৩টি ‘অন টেস্ট’ মোটরসাইকেল জব্দ


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রাজশাহী » মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে চন্দ্রিমা থানায় এলাকাবাসীর ৭ দফা দাবি

মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে চন্দ্রিমা থানায় এলাকাবাসীর ৭ দফা দাবি


রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদক ও কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে চন্দ্রিমা থানায় এলাকাবাসীর ৭ দফা দাবি

রাজশাহী: নগরীর চন্দ্রিমা থানা এলাকায় মাদকের অবৈধ ক্রয়-বিক্রয়, সেবন এবং কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক তৎপরতা বন্ধের দাবিতে চন্দ্রিমা থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন সর্বস্তরের এলাকাবাসী।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিটি জমা দেওয়া হয়। এতে এলাকাবাসী উল্লেখ করেন, দীর্ঘদিন ধরে চন্দ্রিমা থানা এলাকায় প্রকাশ্যে মাদকের কেনাবেচা ও সেবন চলে আসছে। একই সঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণদের একটি অংশ সংঘবদ্ধ হয়ে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে। এতে পুরো এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবেদনে জানানো হয়, কিশোররা রাতে বিভিন্ন স্থানে সংঘবদ্ধ হয়ে আড্ডা দেওয়া, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, মারামারি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা ঘটাচ্ছে। এতে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও জননিরাপত্তা মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।

অপরাধ প্রতিরোধ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে স্মারকলিপিতে ৭ দফা প্রস্তাব ও দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলো হলো—

১. চন্দ্রিমা থানা এলাকার গুরুত্বপূর্ণ, জনবহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে পুলিশি টহল জোরদার করা, বিশেষ করে রাতে টহল বৃদ্ধি করা।

২. রাতে অপ্রয়োজনে অলিগলিতে অবস্থানরত কিশোরদের ক্ষেত্রে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ, অভিভাবকদের অবহিত করা এবং কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করা।

৩. মাদক স্পট ও ক্রয়-বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা এবং চিহ্নিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া।

৪. কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধ রোধে নজরদারি বাড়ানো এবং তাদের মাধ্যমে পরিচালিত অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।

৫. মাদক ও কিশোর অপরাধের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এলাকায় মাইকিং ও সামাজিক প্রচার-প্রচারণা চালানো।

৬. শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

৭. এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য ও অভিযোগের ভিত্তিতে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।

স্মারকলিপিতে এলাকাবাসী সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, তারা কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি বা কিশোরকে হয়রানি করতে চান না। বরং প্রকৃত অপরাধী ও মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে আইনি প্রক্রিয়ায় এনে একটি নিরাপদ, সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠন করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন চন্দ্রিমা থানা এলাকার বাসিন্দারা।

এন/ এস

বাংলাদেশ সময়: ১৮:৪৫:০৬   ৯০ বার পঠিত  | ●   ●   ●







রাজশাহী থেকে আরও...


● জয়পুরহাটে বাসচাপায় প্রাণ গেল কিশোরের, আগুনে পুড়ল বাস
● পাবনায় ছাত্রীনিবাসের কক্ষ থেকে কলেজছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
● বালুর স্তূপে কান্নার শব্দ, জীবিত নবজাতক উদ্ধার
● পাবনায় মানবিক সেবায় শামসুর রহমান ফাউন্ডেশনের যাত্রা শুরু
● রাসিকের অ্যাসফল্ট প্লান্ট ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিদর্শনে প্রশাসক



আর্কাইভ