ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
হবিগঞ্জ: সদর হাসপাতালের মাত্র ২০ শয্যার হাম আইসোলেশন ওয়ার্ডে ৭৫ জনেরও বেশি শিশু ভর্তি রয়েছে। অর্থাৎ নির্ধারিত ধারণক্ষমতার প্রায় চারগুণ রোগী নিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এর সঙ্গে প্রতিটি শিশুর পাশে ৩ থেকে ৪ জন করে স্বজন থাকায় ওয়ার্ডে তৈরি হয়েছে উপচেপড়া ভিড়। তীব্র গরমে শিশু ও স্বজনদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, হাম আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসার জন্য নির্ধারিত ২০ শয্যার আইসোলেশন ওয়ার্ডে বর্তমানে ৭৫ জনের বেশি শিশু ভর্তি রয়েছে। অতিরিক্ত রোগীর চাপে নির্ধারিত শয্যার বাইরেও রোগীদের রাখতে হচ্ছে। একদিকে রোগীর সংখ্যা বেশি, অন্যদিকে প্রতিটি শিশুর সঙ্গে একাধিক স্বজন থাকায় ওয়ার্ডের পরিবেশ আরও ঘনবসতিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
তীব্র গরমের মধ্যে গাদাগাদি করে অবস্থান করতে হচ্ছে শিশু ও তাদের স্বজনদের। পর্যাপ্ত জায়গার অভাবে অনেক স্বজনকে শিশুর পাশে দীর্ঘসময় দাঁড়িয়ে বা অস্বস্তিকর পরিবেশে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে অসুস্থ শিশুদের পাশাপাশি স্বজনরাও চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
এক শিশুর স্বজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “শিশুকে নিয়ে হাসপাতালে এসেছি চিকিৎসার জন্য। কিন্তু এত মানুষ একসঙ্গে থাকায় প্রচণ্ড গরম ও ভিড়ে শিশুকে নিয়ে খুব কষ্ট হচ্ছে। দ্রুত অতিরিক্ত বেড ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা দরকার।”
হাসপাতাল সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোগীর তুলনায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও নার্সের সংখ্যা পর্যাপ্ত নয়। সীমিত জনবল ও সুযোগ-সুবিধার মধ্যেই অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামাল দিতে হচ্ছে। এরপরও শিশুদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, রোগীর চাপ সামাল দিতে দ্রুত অতিরিক্ত শয্যা, চিকিৎসক-নার্স এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। অন্যথায় অতিরিক্ত ভিড় ও গরমের কারণে চিকিৎসাধীন শিশু ও তাদের স্বজনদের দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ২০:০৬:০০ ১ বার পঠিত | ● হবিগঞ্জ ● হাম