ঢাকা মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডিয়া জোটের প্রতিবাদ সমাবেশের পাল্টা কর্মসূচি হিসেবে দেশজুড়ে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হটাও’ স্লোগান তুলে সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। হায়দরাবাদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন ও শুভেন্দু অধিকারী এসব কর্মসূচিতে অংশ নেন।
সোমবার হায়দরাবাদে পৌঁছে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার রোড শো করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এরপর সমাবেশে বক্তব্য দেন তিনি। সেখানে অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে ইন্ডিয়া জোটের নেতা রাহুল গান্ধী ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আবারও নিশানা করেন শাহ।
রাহুলের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে শাহ বলেন, রাহুল গান্ধী কখনোই প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না। বছরে মাত্র তিন-চার মাস ভারতে থেকে এরপর বিদেশে চলে গেলে নির্বাচনে জয়ের আশা করা যায় না। রাহুলের উচিত দেশে আরও বেশি সময় কাটানো, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা এবং তাঁদের সমস্যা সমাধানে কাজ করা।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করায় কংগ্রেসেরও সমালোচনা করেন অমিত শাহ। তাঁর অভিযোগ, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাংক রক্ষা করতেই কংগ্রেস এসআইআরের বিরোধিতা করছে।
অন্যদিকে, কলকাতায় কলেজ স্ট্রিট থেকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’ স্লোগানে পদযাত্রা শুরু করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও বিজেপির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। জাতীয় পতাকা কাঁধে নিয়ে তাঁরা প্রায় চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ধর্মতলায় পদযাত্রা শেষ করেন।
এদিকে, ভারতের লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধীকে পাশের দেশে চলে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। রাহুলকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ‘অসমে আসুন, আপনাকে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশ পাঠিয়ে দেব।’ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কংগ্রেস ও রাহুলকে আক্রমণ করতে গিয়ে এমন বিতর্কিত মন্তব্য করেন হিমন্ত।
রোববার হিমাচল প্রদেশের শিমলায় বিজেপির ‘গণতন্ত্র বাঁচাও ও নৈরাজ্য দূর করো’ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। এর আগে দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের সমাবেশে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে রাহুলের কড়া বক্তব্যের পরই পাল্টা আক্রমণে নামেন হিমন্ত।
কংগ্রেসের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়েও কটাক্ষ করেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, কংগ্রেস আর কখনো ক্ষমতায় ফিরতে পারবে না। হিমন্ত বলেন, ভারতে জনগণের ভোটেই সরকার পরিবর্তন হয়। ভোটাররা ইলেকট্রনিক ভোটযন্ত্রের মাধ্যমে সরকার বদল করেন। কংগ্রেস শুধু ইলেকট্রনিক ভোটযন্ত্রেই নয়, ব্যালট পেপারেও পরাজিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা পরিষদের সদস্য নির্বাচনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন হিমন্ত।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:১৩:১৮ ৪ বার পঠিত | ● অমিত শাহ ● বিজেপির গণতন্ত্র বাঁচাও কর্মসূচি ● রাহুল গান্ধী ● হিমন্ত বিশ্বশর্মা