ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » অবৈধ কারেন্ট জালসহ আটক ব্যবসায়ীকে অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দিলো মৎস্য কর্মকর্তা

অবৈধ কারেন্ট জালসহ আটক ব্যবসায়ীকে অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দিলো মৎস্য কর্মকর্তা


স্টাফ রিপোর্টার,( আগৈলঝাড়া )
প্রকাশ: রবিবার, ২৪ আগস্ট ২০২৫


অবৈধ কারেন্ট জালসহ আটক ব্যবসায়ীকে অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দিলো মৎস্য কর্মকর্তা


বরিশাল:
আগৈলঝাড়ায় লক্ষাধিক টাকার অবৈধ জালসহ এক ব্যবসায়ীকে হাতেনাতে ধরার পরেও অজ্ঞাত কারনে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মৎস্য সম্প্র্রসারন কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর সোম’র বিরুদ্ধে। জালসহ কাউকে আটক করা হলে তাকে জেল-জরিমানা ছাড়া ছেড়ে দেওয়া যাবে না, কেউ যদি ছেড়ে দেয় সেই দায় দায়িত্ব তার নিতে হবে বলে নাম না প্রকাশের শর্তে মন্তব্য করেছেন জেলার এক ঊর্ধ্বতন মৎস্য কর্মকর্তা।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর থেকে অবৈধ ১৭ পিচ চায়না দুয়ারী জাল, ৩২ পাউন্ড কারেন্ট জাল, ৪০ পিচ চায়না চাইসহ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ জাল নিয়ে আসেন জাল ব্যবসায়ী আবু বক্কর ফকির। সে আগৈলঝাড়া উপজেলার বাকাল ইউনিয়নের জলিরপাড় গ্রামের ছবেদ আলী ফকিরের ছেলে। শনিবার দুপুরে অবৈধ জাল ব্যবসায়ী আবু বক্কর ফকিরকে উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের বসুন্ডা নামক স্থানে ভ্যানে বহন করা অবস্থায় অবৈধ জালসহ ধরে উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারন কর্মকর্তা চন্দ্র শেখর সোম।

পরবর্তীতে ব্যবসায়ীকে উপজেলা মৎস্য অফিসে প্রায় এক ঘন্টা বসিয়ে রাখার পর তার কাছ থেকে মুচলেখা রেখে অজ্ঞাত কারনে ছেড়ে দিয়েছে তিনি। এসময় অবৈধ জাল পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। পুড়িয়ে ফেলা চায়না জাল থেকে যে লোহার রড বের হয় তার স্থানীয় ভাঙ্গারী ব্যবসায়ী ইউনুস পাইকের কাছে ২ হাজার ৮শত টাকায় বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে।

এব্যাপারে মৎস্য সম্প্র্রসারন কর্মকতা চন্দ্র শেখর সোম বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্যারের সাথে কথা বলে জাল ব্যবসায়ীকে মুচলেকা রেখে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। লোহার রড বাকাল একটি এতিম খানায় দেওয়া হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কান্তি ঘোষ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, জেনে পরবর্তীতে কথা বলবো।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক সাংবাদিকদের বলেন মৎস্য কর্মকর্তা আমাকে বিষয়টি ফোনে জানিয়েছে, তবে বিস্তারিত কিছুই বলেননি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:২৪:৪৯   ১৯২ বার পঠিত  |            







বরিশাল থেকে আরও...


চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ
পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা
কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স
কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক
পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত



আর্কাইভ