ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » খুলনা » জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা


তারিক লিটু,কয়রা ( খুলনা )
প্রকাশ: রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬


জরাজীর্ণ ভবনে পাঠদান,আতঙ্কে শিক্ষার্থীরা

খুলনা: কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের গাজী আব্দুল জব্বার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজে পরিত্যক্ত ও জরাজীর্ণ ভবনে চলছে পাঠদান। দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় থাকা ভবনটিতে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা চরম ঝুঁকি ও আতঙ্ক নিয়ে ক্লাস করছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, ভবনের বিভিন্ন শ্রেণিকক্ষের ছাদ ও পিলারে বড় ধরনের ফাটল দেখা দিয়েছে। কোথাও পলেস্তারা খসে পড়েছে, কোথাও আবার রড বেরিয়ে এসেছে। বর্ষা মৌসুমে ছাদ দিয়ে পানি পড়ে। জানালা-দরজা নেই, দেয়াল ভাঙাচোরা—সব মিলিয়ে ভবনটি এখন সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি উপকূল অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে আসছে। ২০০০ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি একাডেমিক ভবন নির্মাণ করা হয়। তবে ঘূর্ণিঝড় ‘আয়লা’, ‘ইয়াস’ ও ‘রিমাল’-এর আঘাতে এবং জলোচ্ছ্বাসে বারবার নোনা পানিতে ডুবে থাকায় ভবনটি দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও স্থানীয়রা জানান, ইতিমধ্যে ভবনের ছাদ থেকে অংশবিশেষ ভেঙে পড়ে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। অনেক শিক্ষার্থী ভয়ে স্কুলে আসা বন্ধ করে দিয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, “একসময় এই বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান খুব ভালো ছিল। কিন্তু ভবনটি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় এখন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভয় নিয়ে ক্লাস করে। অভিভাবকেরাও সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে অনীহা দেখাচ্ছেন।”

বিদ্যালয়ের শিক্ষক রবিউল ইসলাম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পরিবেশে পাঠদান কার্যক্রমে মনোযোগ দেওয়া কঠিন। “অল্প জায়গার টিনশেড কক্ষে গাদাগাদি করে ক্লাস নিতে হচ্ছে। শিক্ষার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে নতুন ভবন জরুরি।”

ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ সাইফুল হায়দার বলেন, “মূল ভবনটি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ঝুঁকির মধ্যেই পাঠদান চালাতে হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানানো হলেও এখনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।”

কয়রা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, ভবনটির অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। “নতুন ভবনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। দ্রুত বরাদ্দের চেষ্টা চলছে।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৮:১৯:২২   ১৯১ বার পঠিত  |         







খুলনা থেকে আরও...


ভেড়ামারায় অবৈধ ইটভাটা গুঁড়িয়ে দিল পরিবেশ অধিদপ্তর
সুন্দরবনে নদীতে পড়ে যাওয়া জাহাজের ক্রুকে জীবিত উদ্ধার করল কোস্ট গার্ড
ভেড়ামারায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষ শুরু, রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভরতা অর্জনের আহ্বান
জুয়ার ফাঁদে তরুণরা, কয়রায় এজেন্ট সক্রিয়
ভেড়ামারায় ইউপি চেয়ারম্যান ও তার ভাই গ্রেফতার ‎



আর্কাইভ