ঢাকা মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
পটুয়াখালী: উপকূলীয় এলাকায় দিনদিন বিলীন হচ্ছে বনাঞ্চল। এতে কমছে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল। বিলুপ্ত হচ্ছে বন্য প্রাণী। বিনষ্ট হচ্ছে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য। তাই প্রাণ-প্রকৃতির দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
মৎস্য-বন্দর মহিপুরের কুয়াকাটা সৈকত সংলগ্ন বনটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল। দুই দশক আগে ২ হাজার ১৬৫ একরের এ বনে দেখা মিলতো চিতা বাঘ, মেছো বাঘ, বন মোরগ, হরিণ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির সাপ, পাখি ও শিয়ালসহ বেশ কিছু বন্যপ্রাণী। তবে বনদস্যুদের থাবা ও সমুদ্রের করাল গ্রাসে অর্ধেকের বেশি বনাঞ্চল বিলীন হয়ে গেছে। এখন হাতে গোনা দু’চারটি শিয়াল ছাড়া অন্যকোনো বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে না। একই অবস্থা জেলার সব বনাঞ্চলের।
অ্যানিমল লাভারস অফ পটুয়াখালীর কলাপাড়া শাখার টিম লিডার বায়জিদ মুন্সী বলেন, ‘বিপদ্গ্রস্ত ৭ হাজার ৫০০ টি বন্য প্রাণী উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছি। এদিকে ভালো নেই সমুদ্রে বসবাসরত বন্যপ্রাণীর আওতায় থাকা জলজ প্রাণীরা।’
উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু বলেন, ‘গত ৫ বছরে কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এসেছে ১২০ টি ডলফিন, ৫ টি তিমি ও ৩০ টির বেশি কচ্ছপের মৃত দেহ। এছাড়া কয়েকটি আহত ডলফিন ও কচ্ছপ জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করে অবমুক্ত করা হয়েছে। এসব প্রাণীর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন এবং প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষা করা জরুরি।’
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অনুষদের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. সামসুজ্জোহা বলেন, ‘প্রকৃতি রক্ষায় পদক্ষেপ না নিলে পরিবেশের মারাত্মক বিপর্যয়ের আশঙ্কা রয়েছে।’
পটুয়াখালী উপকূলীয় বন বিভাগের, বিভাগীয় বন কর্মকর্তা, ড. মোহাম্মদ জাহেদুর রহমান মিয়া বলেন, ‘সমুদ্র থেকে ভেসে আসা প্রাণীগুলোর মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটন ও প্রকৃতি সংরক্ষণের নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২১:৩৮:৪৮ ৩৪ বার পঠিত | ● পটুয়াখালী ● বিলীন ● মৎস্য-বন্দর