ঢাকা    রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
• লালমোহনে র‌্যালি ও আলোচনা সভায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদ্‌যাপন • সমবায় অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে: রিজভী • মানিকছড়িতে বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, আহত ৫ নেতাকর্মী • নলছিটিতে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিলেন স্বজনেরা • চরফ্যাসনে সারের কৃত্রিম সংকট, পাচার হচ্ছে মিয়ানমারে • সুজানগরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত • কাউখালীতে নবনিযুক্ত সহকারী শিক্ষকদের সংবর্ধনা, মানসম্মত শিক্ষার আহ্বান • ডিমলায় নানা আয়োজনে জাতীয় সমবায় দিবস উদ্‌যাপন • ভেড়ামারায় নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ, মূল্য ৩ লাখ টাকা • লালমোহনে ৬০ পিস ইয়াবাসহ যুবক আটক


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » জাতীয় » ক্যান্টনমেন্টে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না

ক্যান্টনমেন্টে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না


অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬


ক্যান্টনমেন্টে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধ কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম বলেছেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ছিল জনতার যুদ্ধ, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ এবং মানুষের ভোটাধিকার, মানবিক মর্যাদা ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম। এটি কোনো রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, বরং জনগণের রায়কে অগ্রাহ্য করে গণতন্ত্রকে পদদলিত করার ফলেই মুক্তিযুদ্ধের সূচনা হয়।

গতকাল শুক্রবার ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেস ফাউন্ডেশন আয়োজিত বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার কোর্সেসের ৫৪তম কমিশনিং ও ফেলোশিপ ডে উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, স্বাধীনতার পর যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় এসেছিলেন, তারা অনেকেই মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে চাননি। এ কারণে স্বাধীনতা যুদ্ধের অসংখ্য ঘটনা, ত্যাগ ও বীরত্বগাথা এখনও যথাযথভাবে ইতিহাসে স্থান পায়নি, সেগুলো সেই ইতিহাসকে সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে ও জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে।তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর এমন ধারণা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা হয়েছে যে, কেবল কয়েকটি ভাষণের মাধ্যমেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। অথচ প্রকৃতপক্ষে অসংখ্য তরুণ, সাধারণ পরিবারের সন্তান এবং সৈনিক জীবন উৎসর্গ করে দেশ স্বাধীন করেছেন।

হাফিজ উদ্দিন বলেন, ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এ দেশের মানুষ ছয় দফার ভিত্তিতে আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসনের পক্ষে রায় দিলেও সেই গণরায় উপেক্ষা করা হয়।ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকস্তানি বাহিনী নিরস্ত্র মানুষের ওপর গণহত্যা চালায় এবং ভয়াবহ নির্যাতন শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে যখন রাজনৈতিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে জনগণকে আশ্বস্ত করার বা দিকনির্দেশনা দেওয়ার মতো কার্যকর পরিস্থিতি ছিল না, তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ইপিআরের বাঙালি সৈনিক এবং কর্মকর্তারা বিদ্রোহ ঘোষণা করে প্রতিরোধ যুদ্ধ শুরু করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও ইপিআরের সদস্যরা যদি পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ না করতেন, তাহলে যুদ্ধের ইতিহাস অন্যরকম হতে পারত।এ সময় তিনি প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদান ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করে বলেন, মেজর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে উদ্দীপ্ত করেছে।

তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষেও ঘোষণা দিয়েছেন।   অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন মেজর এ মতিন চৌধুরী। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, বাংলাদেশ বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও নৌবাহিনী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীম অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। সংগঠনের মহাসচিব ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মিরান হামিদুর রহমান উপস্থিত অতিথিদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২০:১৯:১৩   ১০৯ বার পঠিত  | ●   ●   ●   ●







জাতীয় থেকে আরও...


● মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর
● পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা ঠেকাতে শ্রমিকদের কাজে ফেরার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
● ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সমন্বিত প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
● ৩০ হাজার টাকা ন্যূনতম মজুরির নির্দেশ, সহিংসতায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
● জাইকার সঙ্গে বৈঠকে উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নে জোর প্রধানমন্ত্রীর



আর্কাইভ