ঢাকা বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম
![]()
কুষ্টিয়া: জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজনন সুরক্ষা ও মা ইলিশ রক্ষায় ভেড়ামারায় ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬’ উপলক্ষে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে সোলাইমান শাহ চিশতি (রঃ) মাজার প্রাঙ্গণে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের আয়োজনে ও কুষ্টিয়া মৎস্য অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেড়ামারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আমিরুল আরাফাত।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ভেড়ামারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ডা. গাজী আশিক বাহার, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশেদ হাসান, ভেড়ামারা থানার এসআই কামরুল হাসান এবং নৌ পুলিশের অফিসার ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম।
কুষ্টিয়া মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক সঞ্জয় কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তারা মা ইলিশ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা চলাকালে নদীতে ইলিশ ধরা, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ থেকে বিরত থাকতে সব জেলে ও স্থানীয় বাসিন্দার প্রতি আহ্বান জানানো হয়। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন অতিথিরা।
সভায় বক্তারা আরও বলেন, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন করতে সরকার নির্ধারিত ২২ দিন নদীতে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ সময় সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার জন্য জেলে ও স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
সভায় জানানো হয়, ভেড়ামারা উপজেলার চারটি ইউনিয়নের মোট ৫০০ জন নিবন্ধিত মৎস্যজেলেকে সরকারি সহায়তা হিসেবে প্রত্যেককে ২৫ কেজি করে চাল বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে বাহাদুরপুর ইউনিয়নের ৮০ জন, বাহিরচর ইউনিয়নের ৯০ জন, জুনিয়াদহ ইউনিয়নের ১৪০ জন এবং মোকারিমপুর ইউনিয়নের ১৯০ জন জেলে রয়েছেন। সব মিলিয়ে ৫০০ জন জেলের মধ্যে মোট ১২ হাজার ৫০০ কেজি চাল বিতরণ করা হয়।
বক্তারা বলেন, মা ইলিশ রক্ষা করা শুধু সরকারের দায়িত্ব নয়; দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের উৎপাদন ও প্রজনন বাড়াতে জেলে, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চলতে হবে।
এন/ এস
বাংলাদেশ সময়: ২২:৪৯:১০ ১৪ বার পঠিত | ● ভেড়ামারায ● মা ইলিশ রক্ষা ● সচেতনতা সভা