ঢাকা    সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম
পাকিস্তানের সঙ্গে বাণিজ্য-শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির একটি দল জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে, অথচ সমাজে দোজখের আগুন জ্বালিয়ে দিচ্ছে : রিজভী রাঙ্গাবালীতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবদল নেতা গ্রেফতার সুজানগরে কৃষকদের মাঝে এয়ার ফ্লো মেশিন বিতরণের উদ্বোধন দুর্গাপুর-কলমাকান্দায় চার সেতুর সম্ভাব্যতা যাচাই তিস্তার চরে দড়ির কারখানা,তিস্তা মহা পরিকল্পনা ঘিরে মানুষের স্বপ্ন নবীনগরে মাদকের আড্ডা, বাড়ছে চুরি-অপরাধের শঙ্কা উপকূলে কেওড়ার বাম্পার ফলনে বাড়ছে আয়ের সম্ভাবনা কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে জাতীয় পার্টি (জাপা) কমিটি গঠনের প্রস্তুতি সভা রংপুরে বাল্যবিবাহ ও কিশোরী গর্ভধারণ প্রতিরোধে ইউনিয়ন পর্যায়ে স্কুল বিতর্ক শুরু


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » বরিশাল » বাউফলে তিন বছরে হয়নি সেতুর কাজ, উধাও ঠিকাদার

বাউফলে তিন বছরে হয়নি সেতুর কাজ, উধাও ঠিকাদার


ইউসুফ আলম সেন্টু, বাউফল (পটুয়াখালী)
প্রকাশ: শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬


 বাউফলে তিন বছরে হয়নি সেতুর কাজ, উধাও ঠিকাদার
পটুয়াখালী: বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউপির একটি সেতু নির্মাণের কাজ ছয় মাসে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে তিন বছর পার হয়ে গেলেও শেষ হয়নি। কিন্তু এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়েছে মাত্র দুটি পিলার। বাকি কাজ ফেলে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান উধাও হয়ে যাওয়ায় বছরের পর বছর চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বেশ কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ সড়কে ১৫ মিটার পর্যন্ত সেতু নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় চন্দ্রদ্বীপ ইউপির দিয়ারা কচুয়া জনতা বাজার খালের ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ১৫ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতুটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৬৬ লাখ ৮ হাজার ৯৯৮ টাকা।
সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে কাজটি পায় পটুয়াখালীর মেসার্স সাফিন এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কয়েক দফা সময় বাড়ানো হলেও কাজের কোনো অগ্রগতি নেই। তিন বছরে কাজ হয়েছে কেবল দুটি পিলার নির্মাণ।
প্রায় এক বছর ধরে নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার লাপাত্তা থাকায় স্থানীয়রা বাধ্য হয়ে সেতুর পাশে কাঠের একটি ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো তৈরি করে চলাচল করছেন। এতে স্কুল,কলেজ,মাদ্রাসা,প্রাইমারি শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ প্রতিদিনই ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করছেন, প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। দক্ষিণ ও উত্তর কচুয়া গ্রামের হাজার হাজার মানুষের একমাত্র চলাচলের পথের এই সেতুটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. জব্বার হোসেন বলেন, “২০২৩ সালে ব্রিজের কাজ শুরু হয়। কিছুদিন কাজ করার পর ঠিকাদার কাজ বন্ধ করে দেন। পরে অল্প কিছুদিন কাজ করে প্রায় এক বছর ধরে লাপাত্তা।”
আরেক বাসিন্দা রহিম বলেন, “ঠিকাদারের কাঠের সাঁকো তৈরি করে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না করায় আমরা নিজেরাই চাঁদা তুলে সাঁকো বানিয়ে চলাচল করছি। এতে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে, বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা বেশি ঝুঁকিতে পড়ছেন।”
একই এলাকার বাসিন্দা রাহিমা বেগম বলেন, “বাসের সাঁকোর কারণে অনেক সময় ছেলে-মেয়েরা স্কুল-মাদ্রাসায় যেতে পারে না। অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে।
এ বিষয়ে ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মোর্শেদ মুরাদ বলেন, “যখন কাজ শুরু হয় তখন আমি এখানে কর্মরত ছিলাম না।ঠিকাদারকে ৩৩ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। যোগদানের পর বিষয়টি জানতে পেরে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজ শুরু করতে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু না হলে চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্তসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২১:১৯:১৪   ২৩২ বার পঠিত  |      







বরিশাল থেকে আরও...


রাঙ্গাবালীতে ইয়াবা ও গাঁজাসহ যুবদল নেতা গ্রেফতার
কাঁঠালিয়া ও রাজাপুরে জাতীয় পার্টি (জাপা) কমিটি গঠনের প্রস্তুতি সভা
তালতলীতে ১৪ জেলে পরিবারকে উপজেলা প্রশাসনের সহায়তা
আমতলীতে বিরোধীয় জমিতে হাল চাষ নিয়ে সংঘর্ষে ২০ জন আহত
কাঁঠালিয়ায় কলেজ ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার



আর্কাইভ