ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রাজশাহী » বিচারকের ছেলেকে হত্যা,মামলা দায়ের

বিচারকের ছেলেকে হত্যা,মামলা দায়ের


রাজশাহী ব্যুরো
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫


বিচারকের ছেলেকে হত্যা,মামলা দায়ের

রাজশাহী: মহানগর দায়রা জজ আব্দুর রহমান তার ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৬) হত্যার ঘটনায় মামলা করেছেন। শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) দুপুরে তিনি মামলার এজাহারে সই দিয়ে ছেলের লাশ নিয়ে জামালপুরের গ্রামের বাড়ি রওনা হন। পরে রাজপাড়া থানা পুলিশ মামলাটি রেকর্ড করে।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র গাজিউর রহমান শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘বিচারক নিজে বাদী হয়ে মামলা করেছেন। মামলার একমাত্র আসামি লিমন মিয়া (৩৪)। তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশের হেফাজতে হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে।চিকিৎসা শেষে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।’

আসামি লিমন মিয়ার বাড়ি গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার মদনেরপাড়া ভবানীগঞ্জ গ্রামে। তার বাবার নাম এসএম সোলায়মান শেখ। লিমন সেনাবাহিনীতে সৈনিক পদে চাকরি করতেন।

২০১৮ সালে তার চাকরি চলে যায়। কয়েক বছর আগে বিয়ে করেছিলেন লিমন। তবে সংসার টেকেনি। বিচারক আব্দুর রহমানের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসীর (৪৪) সঙ্গে তার পূর্বপরিচয় ছিল। তার কাছ থেকে লিমন টাকা নিতেন।

পুলিশের ভাষ্য, টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিলে নানাভাবে ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন লিমন। দিয়েছিলেন প্রাণনাশের হুমকিও। এ নিয়ে গত ৬ নভেম্বর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন তাসমিনা। মেয়ের বাসায় থাকা অবস্থায় সিলেটের জালালাবাদ থানায় জিডিটি করা হয়।

জজ আব্দুর রহমান প্রায় একবছর আগে শ্রম আদালতের বিচারক হয়ে রাজশাহী আসেন। গত মাসে তাকে মহানগর দায়রা জজ হিসেবে পদায়ন করা হয়। রাজশাহী আসার পর নগরের ডাবতলা এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। সেখানে স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে তাওসিফকে নিয়ে থাকতেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটায় ওই বাসায় যান লিমন। সেখানে তাওসিফকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন তাসমিনা নাহারও। এ ছাড়া ধস্তাধস্তিতে হামলাকারী নিজেও আহত হন। পরে তিনজনকেই ভবনের অন্য ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাওসিফকে মৃত ঘোষণা করা করে ।

শুক্রবার সকালে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের মর্গে তাওসিফের মরদেহের ময়নাতদন্ত হয়। ময়নাতদন্ত করেন ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. কফিল উদ্দিন ও একই বিভাগের প্রভাষক শারমিন সোবহান কাবেরী। ময়নাতদন্ত শেষে মর্গের ভেতরে ঢুকে ছেলের মরদেহ একনজর দেখতে যান তার বাবা বিচারক আবদুর রহমান। এ সময় তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

ময়নাতদন্তের পর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের রাজশাহী সেন্টারের সদস্যরা রামেক হাসপাতালের নির্ধারিত কক্ষে মরদেহের গোসল করিয়ে দেন। পরে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের ফ্রিজিং অ্যাম্বুল্যান্সেই মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়। নিহত তাওসিফ রাজশাহী গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৬:৩২   ১০৮ বার পঠিত  |            







রাজশাহী থেকে আরও...


মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে অস্ত্র হাতে সাবেক ছাত্রদল নেতার মহড়া
রাবি শিক্ষককে ৫ বছরের জন্য অব্যাহতি
মাদক ব্যবসায় প্রতিবাদ করায় যুবকে কুপিয়ে জখম
সুজানগরে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন
চাটমোহরে জাতীয় মৎস্য পক্ষ উদ্বোধন



আর্কাইভ