ঢাকা    বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
রোহিঙ্গা নিয়ে মিয়ানমারের বিবৃতির সঙ্গে একমত নয় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী চরফ্যাসনে শিক্ষার্থীদের কুইজ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন একজন নাগরিকের গুরুত্বপূর্ণ মৌলিক পরিচয়:ফারাহ শাম্মী-এনডিসি হাতিয়ায় ইউএনওর নিকট শিক্ষকদের ক্লাস ফাঁকি দেওয়া অভিযোগ করলো শিক্ষার্থীরা পবিপ্রবির লেকের মাছ পেলো হলের শিক্ষার্থীরা কুয়াকাটা সৈকতে তীব্র ভাঙন, বিলীন হওয়ার পথে ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স কাঁঠালিয়ায় পুলিশ অফিসার যখন শিক্ষক পটুয়াখালীতে মৌসুমী নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি অব্যাহত, বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত কাউখালীতে পাষন্ড ছেলের আঘাতে মায়ের মৃত্যু, ছেলে গ্রেপ্তার লালমোহনে হেলিপ্যাডে জুড়ে পৌরসভার ময়লার ভাগাড়,দুর্গন্ধে এলাকাবাসী


আপনার এলাকার খবর
প্রচ্ছদ » রংপুর » ডিমলায় ফায়ার সার্ভিসের দখলে জমি, ক্ষতিপূরণ না পেয়ে দিশেহারা নূরনাহার

ডিমলায় ফায়ার সার্ভিসের দখলে জমি, ক্ষতিপূরণ না পেয়ে দিশেহারা নূরনাহার


বাসু দেব রায়,ডিমলা (নীলফামারী)
প্রকাশ: সোমবার, ১১ মে ২০২৬


ডিমলায় ফায়ার সার্ভিসের দখলে জমি, ক্ষতিপূরণ না পেয়ে  দিশেহারা নূরনাহার
নীলফামারী: ডিমলায় সরকারি ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণের জন্য ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি অধিগ্রহণ করা হলেও দীর্ঘ ১৮ বছরেও মেলেনি ন্যায্য ক্ষতিপূরণ। উল্টো নিজের ভিটেমাটি হারিয়ে ক্ষতিপূরণের টাকার আশায় সরকারি দপ্তরে দপ্তরে ঘুরতে ঘুরতে দিশেহারা ভুক্তভোগী ছয় সন্তাানের জননী নূরনাহার বেগম।

প্রাপ্ত নথিপত্র ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার বাবুরহাট মৌজার ১৭৭ নং খতিয়ানের ৫৬৫ নং দাগের ৩৩ শতাংশ জমি ২০০৭-২০০৮ অর্থবছরে (এল.এ কেস নং-০৬/২০০৭-২০০৮) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন নির্মাণের জন্য অধিগ্রহণ করা হয়। নূরনাহার বেগমের অভিযোগ, তৎকালীন সময়ে জেলা প্রশাসন থেকে প্রতি শতাংশ জমির মূল্য মাত্র ৪ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা ছিল বাজারমূল্যের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। তিনি এই কম মূল্যের টাকা নিতে অস্বীকৃতি জানালে ও ন্যায্য মূল্যের দাবি করলে শুরু হয় তার ওপর হয়রানি।

ভুক্তভোগী নূরনাহার বেগম জানান, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন ও ক্ষতিপূরণ প্রদান না করেই প্রভাব খাটিয়ে তাকে তার পৈতৃক জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন নির্মাণ শেষে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তিনি বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক ও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক বরাবর একাধিকবার আবেদন করেও কোনো সুরাহা পাননি। নূরনাহার বেগমের দাবি, জমি হারিয়ে আমি আজ নিঃস্ব। গত ১৮ বছর ধরে শুধু ক্ষতিপূরণের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। বর্তমানে এই জমির বাজারমূল্য শতাংশ প্রতি কয়েক লক্ষ টাকা হলেও তিনি আজ অবধি এক টাকাও ক্ষতিপূরণ পাননি।

তিনি জানান, জমি ছেড়ে দেওয়ার জন্য তার পরিবারের ওপর বিভিন্ন সময় চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে ও মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়েছে। স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুমদখল আইন অনুযায়ী, বিলম্বিত ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে বর্তমান বাজারমূল্যে অর্থ প্রদানের বিধান থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা থমকে আছে। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বর্তমানে তারা চরম আর্থিক ও মানসিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। জমির বর্তমান বাজার দর অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ও বিগত বছর গুলোর ক্ষতিপূরণ বাবদ পাওনা পরিশোধের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন তারা।অন্যথায় পথে বসা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না বলেও কান্নাজড়িত কন্ঠে জানান তারা।

এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, সরকারি উন্নয়নের প্রয়োজনে জমি নেওয়া হলেও একজন সাধারণ নাগরিককে দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত রাখাটা চরম অন্যায়।তাই তারা দ্রুত এই সমস্যার সমাধান চান।

এ বিষয়ে জানতে চেয়ে নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামানকে কল করা হলে তিনি রিসিভ না করে কল কেটে দেন। এমনকি ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েও উত্তর মেলেনি।

এন/ আর

বাংলাদেশ সময়: ২০:০১:৪৪   ২৮৬ বার পঠিত  |         







রংপুর থেকে আরও...


ডিমলায় তিস্তা সেচ ক্যানেলে গোসল করতে নেমে দুই শিশুর মৃত্যু
পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা
উলিপুরে বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের অভিযোগ
উলিপুরে শ্রমিক হামিদুল হত্যার আসামী গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
ডিমলায় কাঠের সাঁকো ভেঙ্গে পড়ে আহত জামায়াত নেতা-কর্মী



আর্কাইভ