ঢাকা বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম
![]()
নোয়াখালী: বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে ডাকাতের তাড়া খেয়ে ভয়ে পালানোর চেষ্টা করায় ডুবিয়ে দেওয়া হয় একটি মাছধরা ট্রলারকে। ২৪ ঘন্টা পর অন্য ট্রলারের সহযোগিতায় উদ্ধার হয় এমভি আবুল কালাম নামে ট্রলারটির ১৮ জেলে।
সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার চরঈশর বাংলাবাজার ঘাটে উদ্ধার হওয়া জেলেদের নিয়ে আসা হয়। উদ্ধার হওয়া জেলেরা সবাই উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের বাসিন্দা। এর আগে গতকাল রবিবার বিকলে হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপের দক্ষিনে বঙ্গোপসাগরে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার হওয়া জেলেরা জানায়, শনিবার বিকালে বঙ্গোপসাগরে যায় এভি আবুল কালাম নামে মাছ ধরার ট্রলারটি। হঠাৎ করে তাদেরকে ধাওয়া করে জলদস্যুরা। জলদস্যুদের হাতে থেকে প্রাণে রক্ষা পেতে ও নিজেদের সম্পদ রক্ষায় ছুটতে থাকে জেলেদের ট্রলারটি। অনেক সময় চলতে থাকে পালানোর চেষ্ঠা। এক পর্যায়ে জলদস্যুরা পিছন থেকে দ্রুত গতিতে এসে জেলেদের ট্রলারটিকে ধাক্কা দেয়। মহুর্তে ট্রলারটি উল্টে গিয়ে সাগরে অনেকাংশ ডুবে যায়। পরে জলদস্যুরা চলে গেলে জেলেরা ডুবে যাওয়া ট্রলারের অংশ বিশেষ ধরে ভাসতে থাকে।
ট্রলারের মালিক কালু মাঝি জানান, জলদস্যুরা ট্রলারটি ডুবিয়ে দেওয়ার পর সামান্য অংশ ভাসতে থাকে। তারা সেটি ধরে ২৪ঘন্টা ভেসে ছিলো। সোমবার বিকালে অন্য উপজেলার ২টি মাছধরা ট্রলার তাদের পাশ দিয়ে আসার পথে দেখে তাদেরকে উদ্ধার করে সন্ধ্যায় তীরে নিয়ে আসে। তিনি আরো জানান এই ট্রলারের মালিক তিনি নিজে। নিজের চোখের সামনে কোটি টাকার সম্পদ সাগরে পেলে চলে আসতে হয়েছে তাকে।
এ বিষয়ে হাতিয়া নৌপুলিশের ইনচার্জ আশিকুর রহমান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি। নিঝুমদ্বীপ থেকে ঘটনাস্থল অনেক দূরে হওয়ায় আমাদের কিছুই করার ছিলোনা। এছাড়াও আমাদের তেমন কোন ভারি যানবাহন নেই। এজন্য আমরা চাইলেও গভীর সমূদ্রে গিয়ে কোন অভিযান করতে পারিনা।
এন/ আর
বাংলাদেশ সময়: ২০:০১:০৫ ৩৬৩ বার পঠিত | ● জলদস্যু ● ট্রালার ● মাছধরা ● হাতিয়ায